সকালের যে নাস্তায় সারা দিন থাকবেন ফিট !!!!!

PUBLISHED:Aug 17, 2016

আমরা অনেক সময় অলসতায় অথবা ইচ্ছা করেই সকালের নাস্তা এড়িয়ে চলি। সকালের নাস্তাকে দিনের অন্যান্য খাবারের তুলনায় কম গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কিন্তু এটা সত্যি যে দুপুরের খাবার বা রাতের খাবারের চেয়েও সকালের নাস্তা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন ফিট থাকতে সকালের নাস্তার বিকল্প নায়। সারাদিন এনার্জিটিক থাকতে অবশ্যই অবশ্যই সকালের নাস্তা এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

১। ডিমঃ

ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। ডিমকে “সুপার ফুড” বলা হয়। সকালের নাস্তায় ডিম খেলে দেহে প্রোটিনের চাহিদা মেটায় এবং দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ডিম সেদ্ধ বা অমলেট করে খাওয়া যেতে পারেন। তবে যাদের উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা আছে তারা ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে খেতে পারেন। ডিমের ভিটামিন আর মিনারেল থাকার কারনে ছোট-বড় সকলের জন্য সকালের নাস্তায় ডিম খাওয়া উচিৎ।

২। কলাঃ

কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফাইবার আছে তাই এটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। সকালের নাস্তায় কলা খেলে সারা দিন শরীরে শক্তি যোগায়। কলা মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বাড়ায়।

৩। দুধঃ

দুধ সুষম খাদ্য। সকালে এক গ্লাস গরম দুধ প্রত্যেকের জন্য উপকারি। সারা দিনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে দুধ দারুন কাজ করে। দুধ হাড়ের ক্ষয় রোধ করে আর মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে সকলের উচিৎ সকালে এক গ্লাস দুধ পান করা।

৪। আটার রুটিঃ

সারা রাত পেট খালি থাকে তাই অনেকেই চাই সকালে একটু বেশি খেতে। আসলে সকালে দিনের অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি খাওয়া উত্তম। সে ক্ষেত্রে ভাত বা পরেটার চেয়ে আটার রুটি বেশি ভালো। এতে প্রচুর এনার্জি পাওয়া যায় যার মাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাজ করা যায়। সকালে পেট ভরে খেলে সারাটা দিন শরীর সতেজ থাকে।

৫। সবজি খিচুড়িঃ

সকালে সবজি খিচুরি অনেক ভালো একটি নাস্তা। এই ধরনের খিচুরিতে প্রচুর আঁশযুক্ত সবজি থাকে ফলে এটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে পাশাপাশি শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। সবজি খিচুরি একি সাথে ভিটামিন আর মিনারেলর উৎস।

৬। সালাদঃ

সালাদ আমাদের শরীরের জন্য সবসময়ই ভালো। যদি সেদ্ধ ডিম বা মাংস দিয়ে সালাদ বানানো যায় তবে বাড়তি প্রোটিনের যোগান আসে এখান থেকে। টা ছাড়াও বাদাম, শসা, টমেটো সহ নানা রকম ফল দিয়েও মজাদার সালাদ বানানো যায়। সকালে সালাদ খেলে সারা দিন শরীর থাকবে ফিট।

৭। দইঃ

দই শরীরের ক্লান্তি দূর করে আর দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সাহায্য করে। দিনের শুরুতে দই খেলে আমাদের পেটের জ্বালাপোড়া দূর করে আর খাবার হজমে সাহায্য করে। সারা দিনের ক্লান্তিহীন থাকার জন্য সকালে দই খাওয়া যেতে পারে।

৮। ফলমূলঃ

সকালের নাস্তায় মৌসুমি ফল থাকা খুবই উপকারি। এছারাও সারা বছর পাওয়া যায় এই রকম ফল রাখা যেতে পারে। ফল দিয়ে সালাদ করে খাওয়া যেতে পারে। ছোট ছোট করে কেটে মধু দিয়েও খাওয়া যেতে যায়। ফলের সালাদ সারাদিন আপনাকে ফিট রাখতে সাহায্য করবে।

৯। পর্যাপ্ত পানিঃ

সকালে পানির কোন বিকল্প নেই। সকালে খালি পেটে পানি পান অনেকটা শরীরের ঔষুধের মতো কাজ করে। সকালে হালকা শরীরচর্চা শেষে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। মেশিনে যেমন তেল ছাড়া চলেনা ঠিক তেমনি আমাদের শরীরে পানির প্রয়োজন।

১০। কফিঃ

কফি আমাদের শরীরের ক্লান্তি দূর করে প্রফুল্ল করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কফি খেলে ঘুম ঘুম ভাব দূর হয়। শরীর ও মন দুটোই চাঙ্গা করে তোলে। সকালে কফি খেলে সারাদিন শরীরে এনার্জি পাওয়া যায়।  

সর্বোপরি প্রতিদিন নিয়মিত সকালের নাস্তা খাওয়ার মাধ্যমেই সু-স্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া সম্ভব।  

foodiez health foodies voice good food dhaka foodies
Was this review helpful? Yes
0 Helpful votes